বাবা-ছেলের বিশ্বকাপ কীর্তি: মিসরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবের
বাবা-ছেলের বিশ্বকাপ কীর্তি: মোস্তাফা শোবের

মিসরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবের বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের নাম লিখিয়েছেন পেনাল্টি সেভের কীর্তিতে। তাঁর বাবা আহমেদ শোবেরও ছিলেন মিসরের কিংবদন্তি গোলরক্ষক, যিনি ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। বাবা-ছেলের এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ মিসর ফুটবলের জন্য এক গর্বের বিষয়।

বাবার পথ ধরে

মোস্তাফা শোবেরের বাবা আহমেদ শোবের ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে মিসরের হয়ে খেলেছিলেন। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করা ম্যাচে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কাকতালীয়ভাবে, এবারের বিশ্বকাপে মোস্তাফার অভিষেক ম্যাচও শেষ হয় ১–১ গোলে, বেলজিয়ামের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেও তিনি দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান।

শৈশব ও ক্লাব ক্যারিয়ার

২০০০ সালে জন্ম নেওয়া মোস্তাফা শোবের শৈশব থেকেই মিসরের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আল আহলির একাডেমিতে বেড়ে উঠেছেন। বর্তমানে এই ক্লাবের হয়েই পেশাদার ফুটবল খেলছেন তিনি। ২০২০ সালে আল আহলির সিনিয়র দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে ৬৩টি ম্যাচ খেলেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাফল্যের গল্প

২০২৩–২৪ মৌসুমে সিএএফ চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল শেনাওয়ি চোটে পড়লে সুযোগ পান মোস্তাফা। পুরো টুর্নামেন্টে টানা ৯ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে না দিয়ে আল আহলির শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। গত বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর মিসরের হয়ে খেলেছেন ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

বিশ্বকাপে রেকর্ড

এবারের বিশ্বকাপে (টাইব্রেকার বাদে) এখন পর্যন্ত দুটি পেনাল্টি সেভ করা একমাত্র গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবের। এর মাধ্যমে তিনি পোলিশ গোলরক্ষক জান তোমাশেভস্কি (১৯৭৪) ও ভয়চেখ শেজনি (২০২২) এবং মার্কিন ব্র্যাড ফ্রিডেলের (২০০২) পাশে জায়গা করে নিয়েছেন।

কোচের আস্থা

মোস্তাফা শোবেরের শান্ত স্বভাব, দ্রুত রিফ্লেক্স এবং চাপের মুহূর্তে স্থির থাকার সক্ষমতার ওপর আস্থা রেখেই বিশ্বকাপে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্র: ফিফা ডটকম, উইকিপিডিয়া ও দ্য গার্ডিয়ান।