স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধেই ভালো অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে গেছে দলটি।
প্রথম গোলের বিবরণ
ব্রাজিল অগ্রগামিতা পায় ৭ মিনিটেই। অবশ্য গোলের জন্য দায়টা স্কটল্যান্ডেরই। দীর্ঘ সময় বলের দখল ধরে রাখার পর নিজেদের অর্ধেই বড় ভুল করেন স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার স্কট ম্যাকেনা। আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সময় বল পায়ে রাখেন। সেই সুযোগে তাকে চাপে ফেলেন ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান। বলটি ম্যাকেনার পা থেকে ছিনিয়ে নিতে গেলে সেই বল গিয়ে পড়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে, যিনি তখন বক্সের মুখেই ছিলেন। এরপর ভিনিসিয়ুস বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের পাশ কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন। তাতে সহজ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
বাতিল গোল ও আরেকটি সুযোগ
২৪ মিনিটে আরেকবার জালে বল পাঠিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু বিল্ডআপে স্কটল্যান্ড খেলোয়াড়ের ওপর ফাউল করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই গোল বাতিল করে দেন রেফারি। ৪৫ মিনিটে আরও একটি সুযোগ তৈরি করেছিল সেলেসাওরা। গোলমুখে নিচু ক্রস বাড়িয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। সেই বলে পা ছোঁয়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন মাথেউস কুনহা। তবে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডাররা সম্মিলিতভাবে বাধা হয়ে দাঁড়ান। একাধিক খেলোয়াড় নিজেদের শরীর ছুড়ে দিয়ে শট ঠেকিয়ে দেন।
দ্বিতীয় গোল
তবে যোগ হওয়া ৪৫+৩ মিনিটে আর কোনও ভুল করেনি ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের রক্ষণের ভুলে এবারও জাল কাঁপান ভিনিসিয়ুস। দলগত আক্রমণের পর বল পেয়ে বক্সের ভেতর দারুণ এক ক্রস বাড়িয়েছিলেন ব্রুনো গুইমারেস। তখন গোলমুখে কোনো মার্কিং ছাড়াই হাজির ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সহজ হেডে বল জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন এই ফরোয়ার্ড। চলতি বিশ্বকাপে ভিনিসিয়ুসের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় চারটিতে।



