বিশ্বকাপ এলে প্রাণীদের মাধ্যমে ভবিষ্যদ্বাণী করানোর ঘটনা নতুন নয়। ২০১০ বিশ্বকাপে অক্টোপাস পলের সাফল্যের পর প্রতিবারই বিভিন্ন প্রাণী দিয়ে সম্ভাব্য জয়ী জানার চেষ্টা করা হয়। এবার একটি–দুটি প্রাণী নয়, মেক্সিকোয় রীতিমতো একটা চিড়িয়াখানাজুড়েই প্রাণীদের কাছে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী জানতে চাওয়া হয়েছিল।
হাতির ভবিষ্যদ্বাণী
প্রথমে দুই হাতির সামনে দুটি বিকল্প ছিল—হয় তারা মেক্সিকোর পতাকার পাশের ঘাস খাবে, না হয় প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকার পাশের সবুজ ঘাস বেছে নেবে। শেষ পর্যন্ত হাতি দুটি মেক্সিকোর দিকে এগিয়ে যায়। অর্থাৎ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে জিতবে মেক্সিকো।
গরিলার পছন্দ
‘চেনচি’ এবং ‘ফাউস্তিনা’ নামের দুটি গরিলার সামনে খেলোয়াড়দের জার্সির আদলে তৈরি দুটি পিনিয়াতা (ভেতরে খাবার বা উপহার রাখা একধরনের পুতুল) ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। একটি ছিল স্পেনের, অন্যটি উরুগুয়ের। একটি গরিলা এগিয়ে যায় উরুগুয়ের দিকে। যার অর্থ, ২৬ জুনের ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে উরুগুয়ে জিতবে।
পুমার ভবিষ্যদ্বাণী
‘মুলুক’ নামের একটি পুমা (চিতা বাঘসদৃশ) পাঠানো হয় মেক্সিকো–দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। পুমা দক্ষিণ কোরিয়ার জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করে।
জিরাফের সিদ্ধান্ত
জিরাফকে দেওয়া হয় কলম্বিয়া–ডিআর কঙ্গোর ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণীর দায়িত্ব। জিরাফ বেছে নেয় কঙ্গোকে।



