বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন ফারজিন গনি, একমাত্র স্বেচ্ছাসেবক
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন ফারজিন গনি

ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এবার রেকর্ড সংখ্যক ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে চলছে উন্মাদনা, ঠিক তখনই বাংলাদেশের জন্য এসেছে এক গর্বের খবর।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফারজিন গনি

বিশ্বকাপের এই মহাযজ্ঞে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন তরুণী ফারজিন গনি। তিনি একমাত্র বাংলাদেশি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২ জুন দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে তিনি কানাডার টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।

মায়ের গর্ব ও উচ্ছ্বাস

মেয়ের এই সাফল্যের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে শেয়ার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার মা রোজানা নাসিম। তিনি লেখেন, 'আলহামদুলিল্লাহ! আমার মেয়ে ফারজিন গনি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। কানাডার টরন্টোয় অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সে সুযোগ পেয়েছে। প্রায় ৩০ লাখ আবেদনকারীর মধ্য থেকে বিশ্বব্যাপী মাত্র ৩,০০০ জন নির্বাচিত হয়েছেন। সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে আমার মেয়ে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফারজিন সেরেমনিজ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, মাঠে ফুটবল খেলোয়াড়দের সহায়তা করবে এবং ম্যাচ শুরুর আগে বিভিন্ন দেশের পতাকা ধরে রাখবে। জীবন বদলানো এই অনন্য যাত্রায় আমার মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ, নিরাপদ ও সফলভাবে এই স্বপ্নের মঞ্চে দায়িত্ব পালন করার তৌফিক দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী

জানা যায়, এবারের আসরের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়েছে ফিফা। এসব স্বেচ্ছাসেবক স্টেডিয়াম পরিচালনা, দর্শক সহায়তা, টিকিট ব্যবস্থাপনা ও মিডিয়া সহায়তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। আয়োজক সংস্থা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য প্রশিক্ষণ, আবাসনসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করবে।

১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই আসরে তারা বিশ্বসেরা ফুটবলারদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরাই এই টুর্নামেন্টের প্রাণশক্তি; তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া এমন বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়।