নির্ধারিত সময়ের বাকি তখন ২৩ মিনিট। দল পিছিয়ে ০-২ গোলে। এমন মুহূর্তে দলের কোচের কী অবস্থা সেটি আর ব্যাখ্যা করার দরকার পড়ে না। তবে যত চাপই আসুন লিওনেল স্কালোনি শান্তই থাকেন। যেমনটা আজও ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার দল ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছে ৩-২ ব্যবধানে। ঘাম ছুটানো এই জয়ের ফলে এখন কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা।
সাক্ষাৎকারে কান্না
ম্যাচ শেষে সম্প্রচার চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে আসেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ। কিন্তু খুব বেশি কথা বলতে পারেননি। কান্না চেপেও রাখতে পারছিলেন না, যা টিভি পর্দায় দেখা যাচ্ছিল। সাক্ষাৎকারগ্রহণকারী তাকে জিজ্ঞেস করেন ম্যাচ অনুভূতি কী, উত্তরে কয়েক সেকেন্ড থেমে গিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘আমি চোখ তুলে তাকাতে পারছি না। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। কী দারুণ একঝাঁক খেলোয়াড়... ব্যস এটুকুই। আমাকে এখন যেতে হবে।’
এই বলার পরই স্কালোনি চলে যান। এতটা আবেগপ্রবণ স্কালোনিকে দেখা যায়নি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জয়ের পরও। সেদিন চাপের মুহূর্তেও তিনি অবিচল ছিলেন, এমনকি ফ্রান্সের বিপক্ষে যখন টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হয় তখনও এক চিলতে হাসির বাইরে তেমন উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি তার চোখে-মুখে।
মিশরের বিপক্ষে জয়
মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয়ের পর মিক্সড জোনে কথা বলতে পারেননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। কান্না থমকে আসায় তিনি ক্ষমা চেয়ে সেখান থেকে চলে যান।



