মেসির ফ্রি-কিকে জয়, নকআউটের পথে আর্জেন্টিনা
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নিশ্চিত করার পর জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল নিয়ম রক্ষার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা সেই ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতেছে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে লিওনেল মেসি ফ্রি-কিক থেকে অসাধারণ একটি গোল করেন। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে।
স্কালোনির সতর্কতা: কেপ ভার্দেকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না
কোচ লিওনেল স্কালোনি সংবাদ সম্মেলনে কেপ ভার্দের প্রশংসা করে বলেন, ‘ওরা দারুণ একটা দল। গ্রুপ পর্বের তিনটি প্রতিপক্ষকেই ওরা কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে। স্পেনের মতো ফেবারিট, উরুগুয়ে কিংবা সৌদি আরব—সবার বিপক্ষেই ওরা বুক চিতিয়ে লড়েছে। এই বিশ্বকাপে যা দেখছি, তাতে আমাদের ভীষণ সতর্ক থাকতে হবে। ওরা গতিময়, মানসম্পন্ন এবং বেশ গোছানো দল।’
পরীক্ষা-নিরীক্ষার মঞ্চ: পালাসিওস রাইটব্যাকে
ম্যাচটি স্কালোনির জন্য ছিল বেঞ্চের শক্তি পরখ করার সুযোগ। এজেকিয়েল পালাসিওসকে রাইটব্যাক পজিশনে খেলান তিনি। স্কালোনি বলেন, ‘এই পজিশনে আমাদের বিকল্প তৈরি রাখা দরকার। নাহুয়েলকে বিশ্রাম দিয়েছি, কারণ ও লম্বা বিরতির পর ফিরেছে। আর গঞ্জালোকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইনি। ও আমাদের জন্য নকআউটের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কাজে আসবে।’
মেসির মহত্ত্ব: নিজে বেঞ্চে বসে সতীর্থদের সুযোগ দিলেন
ম্যাচ শেষে স্কালোনি জানান, মেসি নিজে থেকেই বেঞ্চে বসতে চেয়েছিলেন, যেন অন্য সতীর্থরা খেলার সুযোগ পান এবং তিনি নিজে নকআউটের জন্য তরতাজা থাকতে পারেন। স্কালোনি বলেন, ‘আজ ও চাইলে পুরো ৯০ মিনিট খেলতে পারত। প্রতিপক্ষকে অসম্মান না করেই বলছি, ও চাইলে নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে নিতে পারত। কিন্তু ও চেয়েছিল সতীর্থরা খেলুক, যেন সবাই আগামী ম্যাচগুলোর জন্য তৈরি হতে পারে। এটাই ওর মহত্ত্ব। সাধারণ মানুষ যেসব রেকর্ড বা পরিসংখ্যান নিয়ে মেতে থাকে, লিও সেসবের তোয়াক্কা করে না। দলের প্রতি, সতীর্থদের প্রতি ওর ভালোবাসা কতখানি—এই সিদ্ধান্তই তার প্রমাণ।’



