নাঈম হাসানকে মারধর: খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার
নাঈম হাসানকে মারধর: খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নেওয়া এবং থানায় হেনস্তার ঘটনায় খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার রাত ১২টার দিকে সিএমপির সহকারি কমিশনার (পিআর) আমিনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি প্রত্যাহার ও নতুন দায়িত্ব

তিনি বলেন, খুলশী থানার ওসিকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলে খুলশী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাকলিয়া থানা ওসিকে। এছাড়া নগরীর অন্য একটি থানায় আগে ওসি হিসেব দায়িত্ব পালনকারী একজনকে বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত

এর আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে ‘অপেশাদার’ আচরণের অভিযোগ পাওয়ার পর শনিবার দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসান রাতে ঢাকা থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে খুলশী থানাধীন লালখান বাজার এলাকায় খুলশী থানা পুলিশের রাত্রিকালীন মোবাইল-৩৩ টিমের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হন। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত খুলশী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।”

তদন্ত কমিটি

এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথাও জানিয়েছিলেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

এর আগে শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে ফেরার পথে নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে পুলিশ পরিচয়ে মারধর ও থানায় ধরে নিয়ে যায়। থানায় নেওয়ার পর নিজের পরিচয় দেয়ার পরও খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুল ইসলাম 'চোখ নামিয়ে কথা বলার' নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ নাঈমের।

পরে বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের টেলিফোন পেয়ে ওসি নাঈম হাসানকে 'আপনি' সম্বোধন করে বসতে বলেন। এরপর শুক্রবার গভীর রাতে নাঈম হাসানের বাবা, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যায়। তারপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থানায় আসেন।