সেই ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে পড়লে ব্রাজিলের কথা আসবেই। তাদের ইতিহাসের অন্যতম বড় লজ্জা দিয়েছিল জার্মানি। সেমিফাইনালে জার্মানি তাদের জালে গুনে গুনে ৭ গোল দিয়ে ‘সেভেন আপ খাইয়ে’ দিয়েছিল। ঠিক ১২ বছর পর সেই জার্মানি এবার নবাগত কুরাসাওকে ‘সেভেন আপ’ দিয়েছে। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মানি জিতেছে ৭-১ গোলে। তাতেই ২০১৪ সালের ব্রাজিলকে দেওয়া সেভেন আপের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে সবাইকে।
মহাপরাক্রমশালী জার্মানি
ক্যারিবিয়ান সাগরের ৪৪৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটির সামনে আক্ষরিক অর্থেই মহাপরাক্রমশালী হয়ে ধরা দিয়েছে জার্মানি। অসম লড়াইয়ে কুরাসাওকে নিয়ে ছেলে খেলা করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গোল উৎসব করে তারা জিতেছে ৭-১ ব্যবধানে।
২০১৪ সালের স্মৃতি
এর আগে বেলো হরিজেন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে সেদিন স্বাগতিকদের জালে গুনে গুনে ৭ গোল করেছিল জার্মানি। অনেকেই বলে থাকেন ১৯৫০ বিশ্বকাপে ‘মারাকানাজ্জো’র পর এই হারই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। এই হারকেও স্মরণে রেখেছেন ব্রাজিলিয়ানরা। ব্রাজিলের সে হারকে ‘সেভেনআপ’ বলেও মজা করেন অনেকেই।
স্কলারির দগদগে ক্ষত
কিন্তু লুই ফেলিপে স্কলারির কাছে সেই হার মজার তো নয়ই, বরং বলতে পারেন দগদগে এক ঘা। সম্ভবত এই ক্ষত তার কখনও শুকাবে না। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ সামনে রেখে ব্রাজিলিয়ানরা বড় আশা করে ‘বিগ ফিল’ স্কলারির কাঁধে তুলে দিয়েছিল জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব। ব্রাজিলকে সর্বশেষ (২০০২) বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ দল নিয়ে উঠেছিলেন সেমিফাইনালেও। কিন্তু ফাইনালে ওঠার আগের ধাপে নেমে এসেছিল সেই ‘চিরদুঃখ’। ডাগআউটে দাঁড়ানো স্কলারি সেই দুঃখ সয়েছেন সবচেয়ে বেশি।
নতুন প্রসঙ্গ
যা এখন ব্রাজিলিয়ানদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। আজ জার্মানি আবারও একই সেই স্কোরলাইনে জেতায় আগের স্মৃতি অনেকেই রোমন্ত্রণ করছেন। তবে এবারের বিশ্বকাপে কখনও জার্মান ও ব্রাজিল মুখোমুখি হলে ‘সেভেন আপ’ হবে তা বলা কঠিন। এমন বিপর্যয় তো সবসময় বলে-কয়ে হয় না। নেটিজেনরা জার্মানির আজ সাত গোলে জয়ের পর সেই ২০১৪ সালের স্মৃতি নিয়ে বেশ মজা করছেন।



