চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরের ফাইনালে পিএসজি আর্সেনালের মুখোমুখি হবে। বুধবার বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে ১-১ ড্র করার পর ৬-৫ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি। ম্যাচের শুরুতে দ্রুত গোল করে পিএসজি এগিয়ে যায়। ওসমান ডেম্বেলে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। শেষ মুহূর্তে হ্যারি কানের গোল বাতিল হয়নি, কিন্তু তাতে লাভ হয়নি বায়ার্নের।
পিএসজির জয়ের কাহিনী
ম্যাচের মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে পিএসজি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে। ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ওসমান ডেম্বেলে লুইস এনরিকের দলকে এগিয়ে নেন। প্রথম লেগে ৫-৪ গোলে জিতে পিএসজি এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয় লেগে ড্র করলেও সামগ্রিকভাবে তারা এগিয়ে থেকে ফাইনালে পৌঁছে। পিএসজির ফরোয়ার্ড ডিজায়ার ডুয়ে বলেন, “এটি একটি অসাধারণ ম্যাচ ছিল। মিউনিখে আরেকটি জাদুকরি রাত। ছোটবেলা থেকেই আমরা এমন ম্যাচ খেলার স্বপ্ন দেখতাম। এখন আমরা দল হিসেবে এই মুহূর্ত উপভোগ করব।”
বায়ার্নের হতাশা
বায়ার্ন মিউনিখ প্রথমার্ধে কিছু রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ছিল। কিন্তু তারা প্রথম লেগের মতো আক্রমণাত্মক ছিল না। ছয়বারের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা ২০২০ সালে পিএসজিকে হারিয়ে ফাইনাল জিতেছিল। কিন্তু এবার তারা ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, “আমি বেশিক্ষণ হতাশ থাকতে পারি না। শেষ পর্যন্ত আমরা দুটি খুব কঠিন ম্যাচ হেরেছি একটি ভালো দলের বিপক্ষে।”
ম্যাচের মূল মুহূর্ত
পিএসজি প্রথম লেগে ৫-৪ গোলে জিতেছিল। দ্বিতীয় লেগে শুরু থেকেই তারা আক্রমণে ছিল। ফাবিয়ান রুইজ খাভিচা ক্রাভাতস্কেলিয়াকে বাঁ দিকে বল দেন। ক্রাভাতস্কেলিয়া ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে ডেম্বেলেকে বল দেন এবং তিনি গোল করেন। বায়ার্ন ৩০ মিনিটে পেনাল্টির আবেদন করে, কিন্তু রেফারি তা নাকচ করে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জামাল মুসিয়ালা দুটি ভালো সুযোগ তৈরি করেন। দ্বিতীয়ার্ধে পিএসজি রক্ষণাত্মক হয়ে যায় এবং কাউন্টার অ্যাটাকে সুযোগ খোঁজে। শেষ মুহূর্তে হ্যারি কান গোল করলেও বায়ার্নের আর সময় ছিল না।
ফাইনালের প্রস্তুতি
পিএসজি এখন ফাইনালের জন্য প্রস্তুতি নেবে। ৩০ মে বুদাপেস্টে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে চায়। ১৯৯০ সালের পর শুধু রিয়াল মাদ্রিদই টানা দুইবার জিততে পেরেছে। পিএসজি এই কীর্তি গড়তে চায়। অন্যদিকে আর্সেনাল প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে। তারা শিরোপা জিততে মরিয়া।



