ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলশূন্য, ০-০
ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে প্রথমার্ধ গোলশূন্য

বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্স ও সেনেগালের ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো গোল দেখা যায়নি। নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বিরতিতে দুই দল ০-০ গোলে সমতায় রয়েছে।

প্রথমার্ধের খেলা

প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও প্রত্যাশিত ধার দেখাতে পারেনি তারকায় ঠাসা ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেকে নিয়ে সাজানো আক্রমণভাগ সেনেগালের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।

বরং গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল সেনেগালই। ম্যাচের ২৫ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের জোরালো শট ফরাসি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও তা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। অল্পের জন্য লিড পাওয়া যায়নি আফ্রিকান প্রতিনিধিদের।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাদিও মানে, ইসমাইলা সার ও জ্যাকসনকে ঘিরে সেনেগাল একাধিকবার পাল্টা আক্রমণে উঠেছে। ফ্রান্সের রক্ষণও কয়েকবার চাপে পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।

২০০২ বিশ্বকাপের স্মৃতি

ম্যাচটিকে ঘিরে এমনিতেই ফিরে আসছিল ২০০২ বিশ্বকাপের স্মৃতি, যখন উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল সেনেগাল। এবারও প্রথমার্ধে ফরাসিদের অস্বস্তিতে রেখেছে আফ্রিকান দলটি।

এমবাপ্পের মাইলফলক

অন্যদিকে ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে রয়েছে ব্যক্তিগত এক মাইলফলক। জাতীয় দলের হয়ে তার গোলসংখ্যা এখন ৫৬। আর একটি গোল করলেই তিনি ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুর রেকর্ড স্পর্শ করবেন। বিশ্বকাপেও এমবাপ্পের গোল ১২টি। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের বিশ্বরেকর্ড ছুঁতে তার প্রয়োজন আরও চার গোল।

তবে সেই রেকর্ডের পথে এগোতে হলে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের আক্রমণে আরও ধার বাড়াতে হবে ফরাসিদের। আর সেনেগাল চাইবে প্রথমার্ধের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে আরেকটি বিশ্বকাপ অঘটনের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ