বিসিবির অভিনব সম্মাননা: সাবেক অধিনায়কদের জন্য চালু হলো বিশেষ 'ক্যাপ্টেনস কার্ড'
বিসিবির 'ক্যাপ্টেনস কার্ড' সাবেক অধিনায়কদের সম্মানে

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অভিনব উদ্যোগ: সাবেক অধিনায়কদের জন্য 'ক্যাপ্টেনস কার্ড' চালু

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সাবেক অধিনায়কদের সম্মানিত করতে একটি ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নিয়েছে। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান এডহক কমিটির উদ্যোগে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে 'ক্যাপ্টেনস কার্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠান' শিরোনামে একটি বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সাবেক অধিনায়কদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বিশেষ 'ক্যাপ্টেনস কার্ড'।

কার্ডের মাধ্যমে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত

দেশের হয়ে অন্তত একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে যারা অধিনায়কত্ব করেছেন, তাদের সবাইকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। বিসিবি এই কার্ডের মাধ্যমে সাবেক অধিনায়কদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার চিন্তা করছে। এই 'ক্যাপ্টেনস কার্ড' ব্যবহার করে সাবেক অধিনায়করা আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপক্ষীয় সিরিজ কিংবা বিপিএল যেকোনো ইভেন্টেই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন।

এছাড়াও, এই কার্ডধারী কেউ অসুস্থ হলে বিসিবির মেডিকেল টিম তার জন্য সবসময় অ্যাভেইলেবল থাকবে এবং কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন হবে না। এটি সাবেক ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মোট ৩২ জন অধিনায়ক পেয়েছেন সম্মাননা

দেশের মোট ৩২ জন অধিনায়ক এই সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে ২৭ জন পুরুষ অধিনায়ক এবং ৫ জন নারী অধিনায়ক রয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না সদ্য বিদায়ী বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এছাড়াও মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, নাইমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট ও ফারুক আহমেদের মতো বিশিষ্ট সাবেক অধিনায়করা এই অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিসিবি প্রধান তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, তিনি সব অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, 'আমি বুলবুল ভাইকে ফোন দিয়েছি, মেসেজ দিয়েছি, কিন্তু তাকে রিচ করতে পারিনি। তারপর অনুধাবন করলাম যে আমিও ব্লক লিস্টে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার অনেক অবদান আছে।' এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, কিছু সাবেক অধিনায়কদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে বিসিবি তাদের সম্মাননা প্রদানে আন্তরিক।

এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা সাবেক ক্রীড়াবিদদের অবদানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং তাদের জন্য টেকসই সমর্থন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।