মেসির ৯০০তম গোলের মাইলফলক, তবু কনকাকাফে ইন্টার মিয়ামির বিদায়
মেসির ৯০০তম গোল, তবু কনকাকাফে মিয়ামির বিদায়

মেসির ঐতিহাসিক ৯০০তম গোল, তবুও কনকাকাফে ইন্টার মিয়ামির বিদায়

পেশাদার ফুটবলের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে চিহ্নিত হলো ১৯ মার্চ ২০২৬। এই দিনে বিশ্বের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ৯০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তবে তার এই ব্যক্তিগত সাফল্য দলগতভাবে ইন্টার মিয়ামির জন্য যথেষ্ট হয়নি, কারণ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে এমএলএসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন দলটিকে।

ম্যাচের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের দ্বিতীয় লেগে ন্যাশভিলের বিপক্ষে খেলায় মাত্র সপ্তম মিনিটেই মেসির গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি। মেসি সতীর্থের পাস পেয়ে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আরেকজনের পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শট নেন, যা গোলরক্ষক স্পর্শ করলেও থামাতে পারেননি।

তবে ৭৪ মিনিটে ন্যাশভিলের ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজার গোলে সমতা ফিরে আসে। স্টপেজ টাইমে মেসির আরেকটি শট প্রতিপক্ষ ব্লক করে দিলে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। প্রথম লেগে ন্যাশভিলের মাঠে গোলশূন্য ড্র হওয়ায়, অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ন্যাশভিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দলের পারফরম্যান্স ও পরিসংখ্যান

ম্যাচে সার্বিকভাবে আধিপত্য বজায় রেখেছিল ইন্টার মিয়ামি। হাভিয়ের মাশ্চেরানো-এর দল ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে মোট ৯টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ন্যাশভিলের ৩টি শটের মধ্যে মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল, আর সেটিই গোলে পরিণত হয়।

এই পরিসংখ্যান সত্ত্বেও, দলগতভাবে জয় ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় মিয়ামি, যা তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেসির মাইলফলক ও বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া

লিওনেল মেসির ৯০০তম গোল বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বাস্কেটবল লিজেন্ড ম্যাজিক জনসন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘অবিশ্বাস্য মাইলফলক। কী দুর্দান্ত এক কীর্তি।’ ন্যাশভিলের কোচ বেজি কালাঘানও মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘৯০০তম গোলের জন্য তাকে অভিনন্দন। সে সবচেয়ে সেরা।’

টুর্নামেন্ট থেকে দলের বিদায়ের কারণে মেসি নিজের এই মাইলফলক গোলের উদযাপন দীর্ঘায়িত করতে পারেননি। তবুও তার এই অর্জন ফুটবল ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

এই ম্যাচের মাধ্যমে ইন্টার মিয়ামির কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ যাত্রা শেষ হলেও, মেসির ৯০০তম গোলের স্মৃতি ক্রীড়াপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরভাস্বর থাকবে। ভবিষ্যতে আরও অনেক মাইলফলক অর্জনের আশা নিয়ে এগিয়ে যাবেন এই মহাতারকা।