বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে দুর্নীতি বিরোধী কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা এবং একজন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
তদন্তে যা ধরা পড়েছে
বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে বাজি কার্যক্রম, দুর্নীতিমূলক যোগাযোগ এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। দলের ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার সাথে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করার অভিযোগে অভিযুক্ত।
অভিযোগের বিবরণ
বিসিবি অভিযোগ করেছে, তারা নোটিশ জারি সত্ত্বেও তা মানতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাসঙ্গিক যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলে তদন্তে বিলম্ব করে। দেশীয় ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং দলীয় ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী ম্যাচের ফলাফল ও অগ্রগতি নিয়ে বাজি ধরার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।
জবাব দেওয়ার সময়
বিসিবি অভিযুক্তদের অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দিয়েছে। পাশাপাশি, বোর্ড সাবিনুর লাবলুরের বিরুদ্ধে একটি বহিষ্কার আদেশ জারি করেছে, যিনি বিপিএলের নবম, দশম এবং একাদশ আসরে দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপের সাথে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে লাবলুর আন্তর্জাতিক বাজি নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এবং দুর্নীতি সহায়তাকারী হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।
বহিষ্কার আদেশ
বিসিবির মতে, লাবলুর জবাব দেওয়ার অধিকার ত্যাগ করে বহিষ্কার আদেশ মেনে নিয়েছেন। এই ঘটনা বিপিএলের সুনাম ও সততার জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



