আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য লজ্জার রেকর্ড। আগের ম্যাচে ২৬৪ রান করেও জিততে না পারার হতাশা পরের ম্যাচে আরও গভীর হলো। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে তারা মাত্র ৭৫ রানে অলআউট হয়েছে।
পাওয়ার প্লেতে সর্বনিম্ন স্কোর
যদিও এটি আইপিএলের সর্বনিম্ন স্কোর নয়, তবু শুরুতেই ৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়েছে দলটি। পাওয়ার প্লেতে দিল্লির অবস্থা করুণ ছিল। প্রথম ৬ ওভারে তারা তোলে মাত্র ১৩ রান, হারায় ৬ উইকেট—যা আইপিএল ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে এই রেকর্ড ছিল রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (১৪ রান)।
বিরল ঘটনা
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানোর ঘটনাও বিরল; এর আগে ২০১১ সালে কোচি টাস্কার্স কেরালা এমন করেছিল।
বেঙ্গালুরুর সহজ জয়
৭৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু জয় পায় ৮১ বল হাতে রেখেই, যা আইপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল বাকি রেখে জয়। সবচেয়ে বেশি বল বাকি রেখে জয়ের রেকর্ডটি ২০০৮ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স গড়েছিল। ম্যাচটি মোট ১৩৮ বলেই শেষ হয়, যা আইপিএলের দ্বিতীয় সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ম্যাচ।
দিল্লির ৭৫ রান
দিল্লির ৭৫ রান আইপিএলের ইতিহাসে সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি নিজেই ৬৭ রানে অলআউট হয়েছিল। এছাড়া বেঙ্গালুরু ও পাঞ্জাব কিংসেরও কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।
বোলিং রেকর্ড
বেঙ্গালুরুর স্পিনার সুয়াশ শর্মা দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২০টি ডট বল দেন, যা আইপিএলে স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং সামগ্রিকভাবে যৌথ রেকর্ড। তিনি মাত্র ৭ রান খরচ করেন, যা স্পিনারদের মধ্যে অন্যতম সেরা ইকোনমি। জশ হ্যাজলউড ৪টি ও ভুবনেশ্বর কুমার ৩টি উইকেট নেন; দুজনই পাওয়ার প্লেতে ৩টি করে উইকেট নিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
কোহলির মাইলফলক
অন্যদিকে, সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিরাট কোহলি ২৩ রানে অপরাজিত থেকে আইপিএলে ৯ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন—এমন কীর্তি গড়া প্রথম ব্যাটার তিনি। তিনি চেন্নাই ও দিল্লির বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ডও নিজের দখলে রেখেছেন।



