আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষুধা নিয়ে মাঠে নামবেন মেসি
আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষুধা নিয়ে মাঠে নামবেন মেসি

আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন লিওনেল মেসি। ফুটবলে যা কিছু অর্জন সম্ভব, তার প্রায় সবই ইতিমধ্যে জমা হয়েছে তার শোকেসে। আটটি ব্যালন ডি’অর, ক্লাব ও দেশের হয়ে সম্ভাব্য সব ট্রফি—মেসি ফুটবল নামক খেলাটাকে বহু আগেই নিজের মুঠোয় পুরেছেন। কাতার বিশ্বকাপে সেই আরাধ্য ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, রূপকথার শেষ পাতাটা লেখা হয়ে গেছে। কিন্তু ৩৯ ছুঁই ছুঁই বয়সে দাঁড়িয়েও মেসির ক্ষুধা কমেনি বিন্দুমাত্র। রেকর্ড ভাঙার কোনো মোহ নেই, তার চোখে এখন শুধুই আর্জেন্টিনার হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ জেতার অদম্য ক্ষুধা।

মেসির মানসিকতা

রেকর্ড বা ব্যক্তিগত মাইলফলকের ফ্রেমে যাকে আর মাপা যায় না, তিনি কেন এখনো বুট জোড়া পায়ে গলিয়ে নামেন? তার উত্তর মিলল সাবেক আর্জেন্টাইন তারকা ম্যাক্সি রদ্রিগেজের কণ্ঠে। ফিফা ওয়েবসাইটের এক সাক্ষাৎকারে রদ্রিগেজ বলেন, ‘মেসি স্রেফ একটা জিনিস দিয়েই চালিত হন, সেটা হলো সাফল্যের ক্ষুধা এবং আবারও ইতিহাস গড়ার অদম্য ইচ্ছা। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব ছাড়া তার মাথায় আর অন্য কোনো চিন্তা কাজ করে না, এমনকি নতুন কোনো রেকর্ড ভাঙার তাড়নাও তার নেই।’

অনুশীলনে মেসি

মূলত আরও বেশি কিছু অর্জনের ক্ষুধাই মেসিকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে বলে মনে করেন রদ্রিগেজ। ‘এই মানসিকতা আর তাড়না না থাকলে সে আজ এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারত না। আর ঠিক এই কারণেই আর্জেন্টিনার সেই আইকনিক ১০ নম্বর জার্সিতে আমরা আরও একটা বিশ্বকাপে তাকে দেখার সুযোগ পাচ্ছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০২৬ বিশ্বকাপের পথে

১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ ‘জে’-তে আলবিসেলেস্তেদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। মাঠের এই লড়াইয়ের আবহেই মেসির অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে এক অনন্য পালক। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এ সপ্তাহে মেসিকে মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৬ প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত করা হয়েছে। শিল্প, সাহিত্য, সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পাশাপাশি খেলাধুলায় অনন্য কীর্তির জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। মেসিই ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই সম্মানজনক খেতাব পেলেন।