ঈদযাত্রার মধ্যে টানা দুটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার বাড়িমুখো যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়েন।
দুর্ঘটনার বিবরণ
হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোর ২টার দিকে শ্রীনগরের দোগাছি এলাকায় দুইটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে এক ট্রাকচালক নিহত হন।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাকগুলো সরানোর কাজ চলাকালে সকালে সামশপুর এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। একটি বাস ও একটি প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে তিনজন আহত হন।
যানজটের প্রভাব
পরপর দুটি দুর্ঘটনায় মহাসড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
মাওয়া হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জিয়াউল হায়দার জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা
হাইওয়ে পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার পরবর্তী ব্যবস্থাপনা এবং ঈদযাত্রীদের চাপ সামলাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পদ্মা সেতুতে দ্রুত পারাপার নিশ্চিতে মাওয়া প্রান্তে আটটি বুথে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় চলছে। মোটরসাইকেলের যানজট কমাতে দুটি আলাদা লেন খোলা রাখা হয়েছে।



