দুই ম্যাচ জিতে আগেই গ্রুপসেরা হয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা। শেষ ম্যাচটি ছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষার। লিওনেল স্ক্যালোনি ৯টি পরিবর্তন এনেছিলেন। তাতে জর্ডানের বিপক্ষে কোনোভাবেই চাপের মুখে পড়তে হয়নি তাদের। দাপট দেখিয়ে শতভাগ রেকর্ড ধরে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে উত্তুঙ্গ আত্মবিশ্বাস নিয়েই শেষ ৩২-এ যাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
সেট-পিস থেকে তিন গোল
পুরো অর্ধজুড়েই তেমন কোনো চাপের মুখে পড়তে হয়নি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। তিনটি গোলই এসেছে সেট-পিস থেকে। ম্যাচের ৭ মিনিটে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়েছিল জিওভানি লো সেলসোর। তবে ১৯ মিনিটে তিনি আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন। আবু তাহার চ্যালেঞ্জে ফ্রি-কিক আদায় করে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে জর্ডানের গোলরক্ষক আবুলাইলাকে পরাস্ত করেন লো সেলসো। এর মধ্য দিয়ে চলতি টুর্নামেন্টে লিওনেল মেসির বাইরে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করা প্রথম ফুটবলারও হয়েছেন তিনি।
পেনাল্টি থেকে লাউতারোর গোল
হাইড্রেশন বিরতির সময় নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল জর্ডান। তবে বিরতির কিছুক্ষণ পরই আবারও ধাক্কা খায় তারা। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে হাদ্দাদের পায়ের আঘাত লাগে হুলিয়ান আলভারেসের মুখে। সেই ফাউল থেকে পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে ৩১ মিনিটে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। প্রথমার্ধে জর্ডান মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছিল, যার একটি প্রতিহত হয়েছে এবং কোনোটি-ই লক্ষ্যে ছিল না।
মেসির বিশ্বরেকর্ড
বিরতির পর ৪৮ মিনিটে আবারও হতাশ হন লো সেলসো। জাল কাঁপালেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ে তা। তবে কিছুক্ষণ পর দারুণভাবে ঘুড়ে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় জর্ডান। ৫৫ মিনিটে তারা একটি গোল শোধ করে। হাদ্দাদের অ্যাসিস্ট থেকে গোলটি করেন আল তামারি। ৬০ মিনিটে বদলি হয়ে নামেন মেসি। নেমে প্রভাব রাখতে শুরু করেন তিনি। ৮০ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে দেখা পান টুর্নামেন্টে নিজের ষষ্ঠ গোলের। তাতে বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোল করা প্রথম খেলোয়াড়ও হয়ে যান তিনি, যা বিশ্বরেকর্ড।



