প্রতি বছর ঈদের সময় ট্রেনের টিকিট পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। ‘সোনার হরিণ’ বলে পরিচিত এই টিকিট কেন এত দ্রুত শেষ হয়ে যায়? এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে।
সীমিত আসন ও বিপুল চাহিদা
ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ গ্রামের বাড়ি ফিরতে চান। কিন্তু ট্রেনের আসন সংখ্যা সীমিত। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়।
অনলাইন বুকিংয়ের জটিলতা
বর্তমানে বেশিরভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়। অনেক যাত্রী প্রযুক্তিগত জটিলতা বা ধীরগতির কারণে দ্রুত বুকিং দিতে পারেন না। অন্যদিকে, পেশাদার টিকিট ব্যবসায়ীরা অটোমেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে দ্রুত টিকিট কিনে ফেলেন।
- প্রথম দিনেই টিকিটের ৮০ শতাংশ বিক্রি হয়ে যায়।
- ক্যাটারিং ও রিজার্ভেশন কোটা থাকায় সাধারণ যাত্রীদের জন্য আসন আরও কমে যায়।
- অনেক যাত্রী একাধিক টিকিট কিনে পরে বাতিল করেন, যা জটিলতা বাড়ায়।
সমাধানের পথ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকিট বুকিংয়ের সময় আরও স্বচ্ছতা আনা জরুরি। পাশাপাশি, ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো ও আসন সংখ্যা বাড়ানো গেলে চাহিদা কিছুটা মেটানো সম্ভব।
যাত্রীদের উচিত আগে থেকে পরিকল্পনা করা এবং একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে টিকিট পাওয়ার চেষ্টা করা। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট ‘সোনার হরিণ’-ই থেকে যাচ্ছে।



