ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডি লেকের যতটুকু জায়গা ইজারা দেওয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ঠিক ততটুকু সীমানার মধ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সীমানা লঙ্ঘন বা ইজারার শর্ত ভঙ্গ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে।
কলাবাগানে আধুনিক এসটিএস উদ্বোধন
আজ শনিবার রাজধানীর কলাবাগানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ধানমন্ডি লেক ঘিরে লাইব্রেরি, জিমনেসিয়ামসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকার ‘ফুসফুস’খ্যাত লেকটির পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষা করা হবে। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ডিএসসিসি মশকনিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযান
এসটিএস উদ্বোধনের পর ধানমন্ডি লেক ও আশপাশ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযান চালানো হয়। ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ৬০০ কর্মী এতে অংশ নেন।
অভিযানের আগে জনসচেতনতামূলক একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে ধানমন্ডি সোসাইটির সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো এসটিএস
এদিকে কলাবাগান এসটিএসের সংস্কারকাজ উদ্বোধন শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, অতীতে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে এলাকায় দুর্গন্ধ ও যানজটের সৃষ্টি হতো, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছিল। আজ থেকে সেই সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এটি একটি নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো। জনগণের সহযোগিতা পেলে এই মডেল অনুসরণ করে ডিএসসিসির প্রতিটি এসটিএসকে পর্যায়ক্রমে নান্দনিক রূপে সাজানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



