রাজধানীর বনানীর ১৩/সি সড়কের (ই-ব্লক) ৯৬ নম্বর বাড়িটাই শান্তিগ্রামের ঠিকানা। ফ্যাশন হাউস ‘খুঁত’-এর বনানী বাড়ি। শান্তিগ্রাম রেস্তোরাঁর ঠিকানা সার্চ করলে গুগল ম্যাপেও পেয়ে যাবেন।
প্রাকৃতিক পরিবেশে বসার ব্যবস্থা
বাড়িটার সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতেই একচিলতে বসার জায়গা। খোলা আকাশের নিচে। আছে বাহারি গাছ–লতা-পাতা–ফুল। টেবিলে কাঠের গুঁড়ির টেক্সচার। প্রকৃতির স্নিগ্ধ পরশ এই রেস্তোরাঁয়।
পাহাড়ি খাবারের সম্ভার
আরেকটু ওপরেই খাবারের আয়োজন। নানান রকম মুংডি পাবেন সেখানে। ডিম, মুরগি বা সামুদ্রিক প্রাণী দিয়ে তৈরি মুংডি চেখে দেখতে পারেন। থানকুনি পাতা, বাঁশের কঞ্চি, মুরগি বা সামুদ্রিক প্রাণী দিয়ে তৈরি লাকসুও পাবেন। আরও নিতে পারেন বাঁশের কঞ্চি। আছে বিন্নি চালের ভাত।
দুজন মিলে গেলে ব্যাম্বু চিকেনও খেয়ে দেখতে পারেন। দুজনের জন্য আছে ব্যাম্বু চিকেন মিল উইথ রাইস। এই প্ল্যাটারের সঙ্গে বিনা মূল্যে পাবেন দুটি লেমোনেড।
আয়োজনের সময়সীমা
পাহাড়ি এসব খাবার তৈরি হচ্ছে বনানীর এই রেস্তোরাঁতেই। পাহাড়ি খাবারে আগ্রহ থাকলে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন শান্তিগ্রাম থেকে। এই আয়োজন চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত, দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা।
ডেজার্ট ও অন্যান্য পদ
ডেজার্ট হিসেবে নিতে পারেন ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস, বুটের হালুয়া, প্যাড়া সন্দেশ কিংবা রাবড়ি জিলাপি। আর রেস্তোরাঁর নিয়মিত আয়োজনে ভর্তা-ভাজি, আচার-চাটনি, মিষ্টান্ন, শরবত বা কফি তো আছেই।
ভেতরের বসার জায়গা
বসার জায়গা আছে ভেতরেও। ‘খুঁত’-এর শোরুম পেরিয়ে বাড়ির ভেতরেই শান্তিগ্রামের টেবিল সাজানো। বৃষ্টির সময় ভিজতে না চাইলে সেখানেই বসতে পারবেন।
শান্তিগ্রামের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিস্কুট আবির ও সারওয়াত সামিন কৃতজ্ঞতা জানালেন ফ্যাশন হাউস ‘খুঁত’-এর প্রতি, যে প্রতিষ্ঠান তাঁদের স্বপ্নে এভাবে আস্থা রেখেছে।



