যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিশেষ কনসার্ট আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে সুরের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ কনসার্ট। ‘নো ওয়ার নো এম্পায়ার’ শিরোনামের এই যুদ্ধ ও আধিপত্যবিরোধী কনসার্টটি আগামীকাল ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু স্মারক ভাস্কর্যের পাদদেশে শুরু হবে।
আয়োজনের পেছনে উদ্দেশ্য ও সংহতি
জানা যায়, বেশকিছু রাজনৈতিক দল ও প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের যৌথ উদ্যোগ এটি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ফিলিস্তিন, ইরান, লেবানন, ভেনেজুয়েলা ও কিউবাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান আগ্রাসন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এই আয়োজন থেকে অবিলম্বে মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানানো হবে।
আয়োজকরা জানান, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যখন দেশে দেশে যুদ্ধ ও সাধারণ মানুষের ওপর গণহত্যা চলছে, তখন শিল্পী সমাজ নীরব থাকতে পারে না। সংস্কৃতি ও গানের শক্তির মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং সাধারণ মানুষের মনে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
শিল্পী ও ব্যান্ড দলের অংশগ্রহণ
এই প্রতিবাদী কনসার্টে গান ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সংহতি জানাবেন দেশের একঝাঁক জনপ্রিয় শিল্পী ও ব্যান্ড দল। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন অরূপ রাহী, আহমেদ হাসান সানী, ইলা লালালালা, ওয়ারদা আশরাফ, কফিল আহমেদ এবং কুয়াশা মূর্খ। এছাড়াও পারফর্ম করবে ব্যান্ড দল কোরাস দা কমরেডস, বাংলা ফাইভ, মাভৈ, সমগীত এবং সুচিন মারমা ও সহজিয়া।
কনসার্টটি প্রসঙ্গে সহজিয়া ব্যান্ডের ভোকাল, রাজু সহজিয়া বাংলাট্রিবিউনকে বলেন, “এটা আসলে যে সাধারণ নাগরিকের জায়গা থেকেই যদি ভাবি, যারা যুদ্ধ চায় না। আমরা তেমন যুদ্ধ চাই না, এ ধরণের যুদ্ধ বিরোধী ডাকে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তেই হোক না আমরা সহজিয়া ব্যান্ড সশরীরে উপস্থিত হতে পারি বা না পারি সমর্থন জানাই। তাই এ আমন্ত্রণে আমরা সাড়া দিয়েছি। আগামীকালের কনসার্টে সকলকে আমন্ত্রণ জানাই।”
সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত আহ্বান
আগামীকালকের এই উন্মুক্ত কনসার্টে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণকে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে এই আয়োজন শান্তি ও ন্যায়ের বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করবে।



