জামালপুরগামী একটি চলন্ত কমিউটার ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে ছাদ থেকে পড়ে রুবেল মিয়া (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানা গেছে। এতে আরও দুজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দপরপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি দেওয়াল ঘড়ির কারখানায় কাজ করতেন।
পুলিশের বক্তব্য
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আকতার হোসেন ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনটি নগরীর সানকিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অসাবধানতাবশত ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে পড়ে যায়। এতে ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পরিবারের বক্তব্য
জামালপুর রেলওয়ে থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, নিহত রুবেল ঢাকার একটি দেওয়াল ঘড়ির কারখানায় কাজ করতেন। ঈদের আগে ছুটি না পাওয়ায় ঈদের দুইদিন পর ছুটিতে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুনরাবৃত্ত দুর্ঘটনা
তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যাত্রীরা মারা যাচ্ছে, আহত হচ্ছে। কমলাপুর থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় ছাদে যেন কেউ না উঠতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা হয়। তারপরেও যাত্রীরা ট্রেনের ছাদে উঠে। আমরা সবসময় চেষ্টা করি এবং আমাদের জায়গা থেকে যাত্রীদের সতর্ক করে যাচ্ছি।



