বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং তাঁর আসন্ন ছবি 'ধুরন্ধর' থেকে প্রায় ৩২৫ কোটি রুপি আয় করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই অঙ্ক তাঁকে ভারতের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে নিয়ে গেছে। তবে রণবীর বা প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
পারিশ্রমিকের নতুন রেকর্ড
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রণবীর 'ধুরন্ধর'-এর জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক না নিয়ে ছবির লাভের অংশীদার হন। ছবির বাজেট বেড়ে যাওয়ায় তিনি নিজেও বিনিয়োগ করেছেন। বক্স অফিস, ডিজিটাল, স্যাটেলাইট ও সংগীতস্বত্বসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আসা আয়ের একটি বড় অংশ তাঁর ঝুলিতে যায়। বাণিজ্যিক বিশ্লেষকদের ধারণা, সব মিলিয়ে তাঁর আয় প্রায় ৩২৫ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে।
বলিউডের তিন খানের তুলনা
বলিউডের তিন খান—শাহরুখ, সালমান ও আমির—দীর্ঘদিন ধরেই নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের পাশাপাশি লাভের অংশীদারত্বের মডেলে কাজ করে আসছেন। ২০২৩ সালে 'পাঠান' ও 'জওয়ান' থেকে শাহরুখ খান প্রায় ২০০ কোটি রুপি করে আয় করেছিলেন বলে ট্রেড রিপোর্টে দাবি করা হয়। 'সুলতান', 'টাইগার জিন্দা হ্যায়'-এর মতো ছবিতে লাভের অংশীদারত্বের কারণে সালমান খানের আয় ১৫০ থেকে ২০০ কোটির বেশি হয়েছিল। 'দঙ্গল' ও 'সিক্রেট সুপারস্টার' ছবির ক্ষেত্রেও একই মডেলে আমির খান শতকোটি রুপির বেশি আয় করেছিলেন।
দক্ষিণ ভারতীয় তারকারা
দক্ষিণ ভারতীয় তারকারাও পারিশ্রমিকের দৌড়ে কম যান না। 'জেলার' ছবির জন্য রজনীকান্ত প্রায় ২৫০ কোটি রুপি, 'পুষ্পা ২'-এর জন্য আল্লু অর্জুন ২০০ কোটির বেশি এবং 'কল্কি ২৮৯৮ এডি'-র জন্য প্রভাসও ২০০ কোটির বেশি আয় করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে সেই সব অঙ্ককে ছাড়িয়ে রণবীরের ৩২৫ কোটি রুপি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রণবীরের ক্যারিয়ারে নতুন মোড়
রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে গত কয়েক বছর খুব একটা সুখকর ছিল না। 'সার্কাস' এবং 'জয়েশভাই জোরদার'-এর মতো ছবি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবে 'ধুরন্ধর' তাঁকে আবারও শীর্ষ সারির তারকাদের আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে। বাণিজ্যিক মহলের ধারণা, এই ছবির সাফল্য তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন মোড় এনে দিতে পারে। তবে ৩২৫ কোটি রুপির পারিশ্রমিকের দাবিটি এখনো ট্রেড রিপোর্টভিত্তিক। রণবীর সিং বা প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।



