মেরুন শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়ালেন তাসনিয়া ফারিণ
মেরুন শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়ালেন তাসনিয়া ফারিণ

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ এখন বড়পর্দায়ও দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। নিয়মিত অভিনয় করছেন টেলিভিশন, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও রুপালি পর্দায়। এর পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে সরব উপস্থিতি রয়েছে। সম্প্রতি শাড়ি পরা ভিন্নধর্মী এক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি।

ভাইরাল হলো ফারিণের শাড়ির লুক

সামাজিকমাধ্যমে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন এই অভিনেত্রী। নেটিজেনদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছেন তিনি। গাঢ় বেগুনি রঙের শাড়িতে তার সেই আকর্ষণীয় রূপ এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। চেনা বৃত্তের বাইরে শাড়ির এই ক্ল্যাসিক লুকে ফারিণ আবারও প্রমাণ করেছেন, যে কোনো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট দিয়ে নিজেকে অনন্য করে তোলা যায়।

সাজসজ্জায় রাজকীয় আভিজাত্য

খোঁপা করা চুল, হালকা মেকআপ আর ঠোঁটে গ্লসি লিপস্টিকের সঙ্গে তার মুখের মিষ্টি হাসি ভক্ত-অনুরাগীদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। গলায় পরা পাথরের ভারি লকেটযুক্ত জুয়েলারি ও কানের দুল তার এই লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। আর সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বসী চাহনি তো ছিলই। যদিও শাড়িতে খুব একটা দেখা যায় না তাসনিয়া ফারিণকে, কিন্তু এবার যেন চমকেই দিলেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সম্প্রতি একটি শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিতা কাটতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সাধারণত শোরুম উদ্বোধনে মডার্ন পোশাকেই দেখা যায় তাকে, কিন্তু এবার দেখা গেল ভিন্ন এক লুকে। ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিকতাকে মেলে ধরতে শাড়িকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। সেই থেকে এখন তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে এত উচ্ছ্বাস, এত আবেগ আর ভালোবাসা।

শাড়ির বিশেষত্ব

শাড়িতে ফারিণের এই অনবদ্য রূপ দেখে যেন চোখ সামলাতে পারেননি নেটিজেনরা। অভিনেত্রীর সেই শাড়িতেও ছিল বিশেষত্ব; যেটি ছিল সোনালি জরির পাড়যুক্ত একটি গাঢ় বেগুনি রঙের কাতান শাড়ি। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে পরা ম্যাচিং ব্লাউজের হাতা ও গলায় থাকা সূক্ষ্ম লেসের কাজ তার পুরো সাজে আনে এক রাজকীয় আভিজাত্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ফারিণের নতুন লুক প্রকাশ্যে আসতেই শেয়ার করে নিয়েছেন নেটিজেনরা। কমেন্ট সেকশনে উপচে পড়ছে ভক্তদের প্রশংসা। এক নেটিজেন লিখেছেন— শাড়িতে ফারিণকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— তার সাজপোশাকের এই রুচিবোধ সত্যিই প্রশংসনীয়।