কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের তৃতীয় নামাজে জানাজা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার সহকর্মী, অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিশাল সমাবেশ তাকে শেষ বিদায় জানাতে জড়ো হয়।
রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি
রবিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।
শোক ও বিদায়
রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মৃতদেহ সেখানে আনা হয়। এ সময় উপস্থিতদের মধ্যে শোকের ঢল নামে। সমর্থকরা স্লোগান দেয়, 'জুলাইয়ের কারিনা, আমরা তোমাকে ভুলিনি।' জানাজার আগে তার বাবা কায়সার হামিদ ও মা লোপা কায়সার মেয়ের জন্য দোয়া চান।
জানাজার সময়সূচি
তার প্রথম জানাজা মাগরিবের পর বনানী ডিওএইচএস মাঠে এবং দ্বিতীয় জানাজা ইশার পর বনানী দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্থ জানাজা সোমবার মুন্সিগঞ্জের পৈতৃক বাড়িতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, এরপর দাফন সম্পন্ন হবে।
মৃত্যুর কারণ
কারিনা শুক্রবার রাতে চেন্নাইয়ের ভেলোরে ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিভারজনিত জটিলতায় মারা যান। গত ৮ মে বাংলাদেশে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার তাকে চেন্নাইয়ে এয়ারলিফ্ট করা হয়।
পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, প্রথমে তার জ্বর হয়, পরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে তার হেপাটাইটিস এ ও ই ধরা পড়ে, যা লিভার ফেইলিওরের দিকে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
কর্মজীবন
কারিনা কায়সার হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট তৈরি করে অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং অভিনয়ও করেছেন। তিনি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।



