ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র বিশ্ব প্রিমিয়ার লন্ডনে
নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র প্রিমিয়ার লন্ডনে

অবশেষে যাত্রা শুরু করল ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’। প্রায় তিন হাজার বছর আগের গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ‘দ্য অডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত এই বিশাল বাজেটের ছবির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার লন্ডনে। গ্রীষ্মের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমাগুলোর একটি হতে চলেছে এটি—এমন প্রত্যাশাই এখন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট মহলের। ২৫০ মিলিয়ন ডলারের এই প্রযোজনার ক্ষেত্রে সেটিই যে ইউনিভার্সাল স্টুডিওরও বড় আশা, তা বলাই বাহুল্য।

লালগালিচায় তারকামেলা

লন্ডনের লেস্টার স্কয়ারে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ারে ম্যাট ডেমন, অ্যান হ্যাথওয়ে, টম হল্যান্ড, জেনডায়া, রবার্ট প্যাটিনসন ও শার্লিজ থেরন-সহ ছবির প্রায় পুরো অভিনয়শিল্পী দল উপস্থিত ছিলেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও বিশাল কাঠের ট্রোজান ঘোড়া এনে সাজানো হয়েছিল অনুষ্ঠানস্থল, যদিও সেটি অতিথিদের খুব বেশি ছায়া দিতে পারেনি। কিছুদিন আগেও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘোষণা দেন অ্যান হ্যাথওয়ে; লালগালিচায় তিনি এসেছিলেন বেবি বাম্প নিয়ে।

টম হল্যান্ড ও জেনডায়ার প্রতিক্রিয়া

এদিন হাজির ছিলেন টম হল্যান্ড। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কী অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমাদের দুজনের জন্যই এটি একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা।’ জেনডায়া, যিনি ‘দ্য ওডিসি’-তে দেবী অ্যাথেনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন, বলেন, ‘শুটিংয়ে টমের অভিনয় দেখে আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম। ও সব কাজেই অসাধারণ। এক মাসের ব্যবধানে দর্শক ওর একেবারে ভিন্ন দুটি রূপ দেখতে পাবেন—এটাই সবচেয়ে রোমাঞ্চকর।’ টম হল্যান্ড ও জেনডায়া বাস্তব জীবনের সঙ্গী; ‘দ্য ওডিসি’তে ওডিসিউসের ছেলে টেলেমাকাস চরিত্রে দেখা যাবে টমকে। এরপরই দুজনকে দেখা যাবে নতুন ‘স্পাইডার-ম্যান’ ছবিতে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিনেতাদের অভিজ্ঞতা

‘টেনেট’-এর পর দ্বিতীয়বার নোলানের সঙ্গে কাজ করেছেন রবার্ট প্যাটিনসন। তাঁর মতে, এত বিশাল আয়োজনের মধ্যেও পরিচালককে কখনো বিচলিত মনে হয়নি। ট্রোজান যুদ্ধের বীর ওডিসিউস চরিত্রে অভিনয় করা ম্যাট ডেমন ছবিটির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাকে বর্ণনা করেছেন একেবারেই ব্যতিক্রমী বলে। ভ্যারাইটিকে তিনি বলেন, ‘মনে হয়েছে যেন একসঙ্গে ছয় কিংবা সাতটি সিনেমায় কাজ করছি। আসলে অনেকটা তা-ই ছিল। প্রতিটি লোকেশনই ছিল অত্যন্ত কঠিন, তবে প্রতিটির চ্যালেঞ্জ ছিল আলাদা। এক মাস কাজ করার পর আমি এমাকে (থমাস) বলেছিলাম, ভাগ্যিস আমি প্রযোজক নই।’ ছবিতে ক্যালিপসো চরিত্রে অভিনয় করা শার্লিজ থেরনের মতে, ‘এমন একটি গল্প নিয়ে কাজ করার সাহস খুব কম পরিচালকেরই আছে। নোলান তাঁদের একজন।’