সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ অভিযোগ করেছেন, তার মেয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার বাংলাদেশে 'অপচিকিৎসার' শিকার হয়ে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে। ঢাকা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকার এভারকেেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তার মেয়েকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়, যা তার অবস্থা আরও খারাপ করে দেয়।
অপচিকিৎসার অভিযোগ
কায়সার হামিদ বলেন, 'ঢাকায় তাকে অপচিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ভুল চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যা তার অবস্থার অবনতি ঘটায়।' তিনি আরও জানান, দেশের বাইরে স্থানান্তরের পর তার মেয়ের অবস্থা এখন স্থিতিশীল হয়েছে।
কারিনা বর্তমানে ভারতের ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার রাত ১১টার দিকে তাকে এয়ারলিফট করে চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। তার মা ও দুই ভাই তাকে সঙ্গ দেন।
অপ্রয়োজনীয় ওষুধের অভিযোগ
কায়সার হামিদ আরও অভিযোগ করেন, ঢাকায় চিকিৎসার সময় তাকে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ যেমন ঘুমের বড়ি ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, যা তার ফুসফুসের ক্ষতি করেছে। তিনি জানান, ভারতের ডাক্তাররা এখন ফুসফুসের অবস্থা স্থিতিশীল করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন, তারপর পরিকল্পিত লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হবে।
'ফুসফুস স্থিতিশীল করার পর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হবে,' তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে এই ধরনের প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও সরঞ্জাম নেই।'
ভাইয়েরা লিভার দিতে রাজি
কায়সার হামিদ জানান, কারিনার দুই ভাই মোস্তফা এস হামিদ ও সাদাত হামিদ তাদের লিভারের অংশ দান করতে রাজি হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তার ছোট ভাই সাদাতের লিভারের প্রায় ২০ শতাংশ অংশ নেওয়া হবে, যার রক্তের গ্রুপ কারিনার সাথে মিলে যায়।
কারিনা কায়সার একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী হিসেবে 'ইন্টার্নশিপ' এবং '৩৬-২৪-৩৬'-এর মতো প্রকল্পে কাজ করেছেন।



