বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঠে যেমন তারকাদের পারফরম্যান্স আলোচিত, তেমনই তাদের ফ্যাশন স্টাইলও ভক্তদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম থেকে শুরু করে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে—সবাই নিজস্ব স্টাইলে অনন্য। নিচে দেওয়া হলো ১১ জন তারকার ফ্যাশন পছন্দের একটি চিত্র।
ইংল্যান্ড ও স্পেনের তারকা
জুড বেলিংহাম তার স্পোর্টস জার্সি ও ক্যাজুয়াল লুকের জন্য পরিচিত। অন্যদিকে লামিনে ইয়ামাল স্পেনের তরুণ প্রতিভা হিসেবে আধুনিক ফ্যাশন অনুসরণ করেন। দুই তারকাই ইনস্টাগ্রামে নিজেদের স্টাইল শেয়ার করেন, যা ভক্তদের কাছে প্রেরণা হয়ে ওঠে।
অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি
জ্যাকসন আরভিন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার হলেও তার ফ্যাশন সেন্স ইউরোপীয় ধাঁচের। সন হিয়ুং–মিন দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক হিসেবে স্মার্ট ও পরিপাটি পোশাকে সবার নজর কাড়েন।
ফ্রান্স ও জার্মানির তারকা
জুলস কুন্দে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার হলেও ফ্যাশন জগতে তার পদচারণা উল্লেখযোগ্য। নিক ভোল্টামাডাহ জার্মানির তরুণ ফুটবলার হিসেবে স্ট্রিটওয়্যার পছন্দ করেন।
বেলজিয়াম ও সেনেগালের ফুটবলার
আমাদু ওনানা বেলজিয়ামের মিডফিল্ডার হিসেবে ক্লাসিক স্যুট-টাই পরতে পছন্দ করেন। নিকোলাস জ্যাকসন সেনেগালের ফরোয়ার্ড হিসেবে রঙিন পোশাক ও আনুষাঙ্গিক ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত।
ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক
কিলিয়ান এমবাপ্পে ফ্রান্সের অধিনায়ক হিসেবে লাক্সারি ব্র্যান্ডের পোশাক পরে থাকেন। ফেরান তোরেস স্পেনের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে মিনিমালিস্ট স্টাইল পছন্দ করেন। ভার্জিল ফন ডাইক নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক হিসেবে প্রিমিয়াম ফ্যাশন হাউসের পোশাকে দেখা যান।
ফুটবলারদের ফ্যাশন প্রভাব
এই তারকাদের ফ্যাশন শুধু মাঠেই নয়, মাঠের বাইরেও ভক্তদের অনুপ্রাণিত করে। ইনস্টাগ্রামে তাদের পোশাকের ছবি হাজার হাজার লাইক পায়। ফুটবল ও ফ্যাশনের এই মেলবন্ধন আধুনিক ক্রীড়া সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



