ইসাবেল হগের পরিচয় ও শৈশব
ইসাবেল হগের জন্ম ও বেড়ে ওঠা নরওয়ের ছোট্ট শহর ব্রিনেতে, যা আর্লিং হলান্ডেরও জন্মস্থান। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। হলান্ডের মতো তিনিও স্থানীয় ক্লাব ব্রাইন এফকের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন। তবে পরবর্তী সময়ে পেশাদার ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়ে না তুললেও ফুটবল ইসাবেলের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি ভ্রমণ, দৈনন্দিন জীবন এবং বিভিন্ন মুহূর্ত ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেন।
হলান্ডের সঙ্গে সম্পর্কের সূচনা
হলান্ড তারকা হওয়ার পর তাঁদের সম্পর্কের কথা আলোচনায় আসে। তবে পরিচয় অনেক আগে থেকেই। ব্রাইন শহরে একসঙ্গেই বড় হয়েছেন দুজন। একই ফুটবল ক্লাবের বয়সভিত্তিক দলেও খেলেছেন। তবে কিশোর বয়সে তাঁদের প্রেম শুরু হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের দিকে তাঁদের সম্পর্কের সূচনা হয়। তখন ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন হলান্ড। নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হলান্ড তাঁদের প্রেমের শুরুর গল্প শোনাতে গিয়ে জানান, সম্পর্কের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইসাবেলই। তিনি বলেন, 'ও-ই আমাকে প্রথম মেসেজ পাঠিয়েছিল। আমরা একই ক্লাব ব্রাইনের হয়ে খেলতাম। তবে ও-ই আগে আমাকে লক্ষ্য করেছে।'
বিশ্বকাপে ভাইরাল লুক ও জনপ্রিয়তা
হলান্ড যখন মাঠে থাকেন, তিনি থাকেন গ্যালারিতে। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে নরওয়েকে সমর্থন জানাতে গ্যালারিতে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন ইসাবেল। টেক্সাসে সেনেগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে হলান্ডের জার্সির সঙ্গে কাউবয়-অনুপ্রাণিত পোশাক পরে হাজির হন। সেই লুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে ইসাবেলের পোস্টে হলান্ড মজা করে মন্তব্যও করেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও সন্তানের বাবা হওয়া
বিশ্বজোড়া খ্যাতি থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে সব সময় আড়ালেই রেখেছেন হলান্ড ও ইসাবেল। ফুটবল-সংক্রান্ত অনুষ্ঠান বা বিশেষ উপলক্ষে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খুব কমই কথা বলেন তাঁরা। সন্তানের বাবা হওয়ার পর জীবনে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন হলান্ড। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'বাবা হওয়ার পর মাঠের বাইরের জীবন আরও বেশি উপভোগ করতে শিখেছি। সন্তান হওয়ার পর থেকে বাড়িতে ফিরলে ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারি। তখন আর ফুটবল নিয়ে ভাবি না।'



