মডেল মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে পথচারীকে মারধরের অভিযোগে মামলা, আদালত তদন্তের নির্দেশ
মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে পথচারী মারধরের মামলা, আদালত তদন্তের নির্দেশ

মডেল মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে পথচারী মারধরের অভিযোগে মামলা, আদালত তদন্তের নির্দেশ

রাজধানীর গুলশানে এক পথচারীকে মারধর ও হয়রানির অভিযোগে রুশ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ আল ইসলাম। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ

আদালত আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম (সুমন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মামলার প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

মামলার অভিযোগের বিবরণ

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১০ মার্চ বিকেল চারটার দিকে গুলশান-২ এলাকার রয়্যাল ব্লু প্লাজার সামনের রাস্তায় এক বৃদ্ধ পথচারী হেঁটে যাচ্ছিলেন। ওই সময় রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভিডিও (টিকটক) করছিলেন মনিকা কবির। হাঁটার সময় অসাবধানতাবশত ওই বৃদ্ধের ব্যাগের কোনা মনিকার গায়ে লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কোনো উসকানি ছাড়াই ওই বৃদ্ধকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন এবং তাঁর ব্যাগটি ছুড়ে মারেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পুরো ঘটনাটি মনিকা নিজেই ভিডিও করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ওই বৃদ্ধকে সামাজিকভাবে ‘হেয়প্রতিপন্ন’ করা হয়। এই ঘটনায় পথচারীর মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির বিষয়টি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের ভূমিকা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে প্রাথমিক শুনানি পরিচালনা করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন।

এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও হয়রানির বিষয়টি সমাজে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। আইনজীবীরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।