ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর সড়কগুলো ছিল অনেকটাই ফাঁকা। তবে ঈদের ছুটি কাটিয়ে এরই মধ্যে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু সরকারি ছুটি আরও একদিন বাকি থাকায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। ফলে ব্যস্ত নগরীর সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কম থাকায় স্বস্তিতে চলাচল করছেন নগরবাসী।
সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম
শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ দিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির সংখ্যা অনেক কম। গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কগুলোতে ছিল না যানজট। ফলে খুব কম সময়েই এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে পারছেন রাজধানীবাসী। তবে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ, মাংস সংরক্ষণ ও বিতরণ, ঈদ-পরবর্তী বিভিন্ন কাজ এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া মানুষের চলাচল দেখা গেছে। এ ছাড়া ঘুরতে বের হওয়া মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। কিছু দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে।
ঢাকামুখী সড়কে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
শনিবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীমুখী বিভিন্ন মহাসড়ক ও বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের ছুটির মধ্যেও যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরের কাপাসিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বাসগুলোতে ছিল স্বাভাবিক সংখ্যক যাত্রী। কোথাও অতিরিক্ত ভিড় কিংবা যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায়নি।
সাত দিনের ছুটির আমেজ রাজধানীতে
গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন। ফলে তাদের অনেকেই এখনো ঢাকার বাইরে অবস্থান করায় রাজধানীজুড়ে বিরাজ করছে ছুটির আমেজ।



