সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের অর্ধশতাধিক স্থানে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা ও উপজেলায় আগাম ঈদের জামাতে অংশ নেন মুসল্লিরা।
শহরের জামাত
দিনাজপুর শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদ জামাত। এতে ইমামতি করেন হলি কুরআন স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক।
বিভিন্ন এলাকায় জামাত
এ ছাড়াও দিনাজপুর শহরের নিউটাউন, ফুলতলা, ইসলামবাগ এলাকা, বোচাগঞ্জ উপজেলার ছাতইর, বিরলের ভাড়াডাঙ্গি, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রাম ও তের মাইল এলাকা, বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়রা বাজার জামে মসজিদ ও জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ী মির্জাপুর জামে মসজিদ, চিরিরবন্দর উপজেলার রাবারড্যাম এলাকা, বিরল উপজেলার বালাদার গ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি জামাতে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
পরিবারের অংশগ্রহণ
সবমিলিয়ে জেলায় প্রায় দুই হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। তারা বলছেন, জেলায় মোট ৪৪টি জামাত হয়, এবারে বেশি হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এবার জেলায় প্রায় ৫০টির মতো স্থানে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মোনাজাত ও শান্তি কামনা
নামাজ শেষে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন।
মুসল্লিদের মতামত
বগুড়া থেকে আগত মহিউদ্দিন ইসলাম বলেন, "সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে ভালো লাগছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায় করেছি।"
ভোলা থেকে আসা নুরনবী বলেন, "অনেক দিন ধরেই আমরা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করে আসছি। এবারও সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে ঈদের নামাজ আদায় করেছি।"
ইমামের বক্তব্য
মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঈদ মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও ত্যাগের শিক্ষা বহন করে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আমরা ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করছি। দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।



