লন্ডনে ইহুদি স্থাপনায় হামলা: ইরানি প্রক্সির সম্পৃক্ততা তদন্ত করছে ব্রিটিশ পুলিশ
লন্ডনে ইহুদি স্থাপনায় হামলা: ইরানি প্রক্সি তদন্ত

লন্ডনে ইহুদি স্থাপনায় হামলা: ইরানি প্রক্সির সম্পৃক্ততা তদন্ত করছে ব্রিটিশ পুলিশ

লন্ডনের বেশ কিছু ইহুদি স্থাপনায় সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ব্রিটিশ পুলিশ। মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সিনাগগসহ ইহুদি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে হওয়া এসব হামলার তদন্ত চালাচ্ছে। এছাড়া একটি ফারসি ভাষার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাটিও এই তদন্তের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

হামলার বিবরণ ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

এখন পর্যন্ত এসব অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সবশেষ শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে উত্তর লন্ডনের একটি সিনাগগে হওয়া হামলায় সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ধারাবাহিক হামলাগুলো লন্ডনের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশের তদন্ত ও ইরানের সম্ভাব্য ভূমিকা

ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ভিকি ইভান্স এই হামলার গতিপ্রকৃতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ‘হারাকাত আশাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী ইন্টারনেটে এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে। বিভিন্ন পাবলিক রিপোর্টে এই গোষ্ঠীটির সাথে ইরানের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তদন্ত অগ্রগতির সাথে সাথে পুলিশ গুরুত্বের সাথে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভিকি ইভান্স আরও উল্লেখ করেন, ইরান সরকার এর আগেও বিভিন্ন দেশে অপরাধী চক্র বা প্রক্সিদের ব্যবহার করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করেছে। লন্ডনের এই হামলাগুলোতেও একই ধরনের কৌশল বা প্রক্সি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা এখন গোয়েন্দা ও তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রধান বিবচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পরবর্তী হামলা এড়াতে লন্ডনজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কতা অবলম্বন করে চলছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যায়।