ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানে হামলা থেকে বিরত ইসরায়েল
ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানে হামলা থেকে বিরত ইসরায়েল

ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দেওয়া থেকে আপাতত বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধ মেনে নিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তেহরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তি চূড়ান্ত করতে ওয়াশিংটনকে আরও কিছুদিন সময় দেওয়ার জন্য ট্রাম্প এই আহ্বান জানান।

ফোনালাপে ট্রাম্পের বার্তা

রোববার (৭ জুন) মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে ট্রাম্প স্পষ্ট করে নেতানিয়াহুকে পাল্টা আঘাত না করতে বলেন। ট্রাম্পের বিশ্বাস, চুক্তির মাধ্যমে একটি ভালো সমাধান আসার খুব কাছাকাছি রয়েছে পরিস্থিতি।

নেতানিয়াহুর প্রাথমিক আপত্তি

নেতানিয়াহু প্রথমে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ইরানে হামলার অনুমতি আদায়ের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের অনুরোধে একপ্রকার সম্মতি দিতে বাধ্য হন। দুই নেতার এবারের ফোনালাপটি গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ শান্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত সপ্তাহের ভিন্ন দৃশ্য

গত সপ্তাহে লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে কথা বলার সময় ট্রাম্প উচ্চস্বরে নেতানিয়াহুকে ভর্ৎসনা করেছিলেন। তবে এবারের আলাপে ট্রাম্প শান্ত ছিলেন এবং তিনি মনে করেন চুক্তি সফল করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিন মাসের এই চলমান মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইসরায়েলের অবস্থান

এদিকে ইসরায়েলের চ্যানেল টুয়েলভ নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল সরকার এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। নেতানিয়াহু এই বিষয়ে জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি বৈঠক করছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হিজবুল্লাহ হামলায় হোয়াইট হাউসের ভূমিকা

অপর এক তথ্যে জানা গেছে, রোববার সকালে বৈরুতে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে করা ইসরায়েলি হামলায় হোয়াইট হাউসের কোনো সম্মতি ছিল না। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ওই হামলার কারণেই মূলত ইরান ক্ষুব্ধ হয়ে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে এবং এই ঘটনার সাথে আমেরিকার কোনো সম্পর্ক ছিল না। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল