সৌদিতে নিহত প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার পরিবারকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস
সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস

সৌদিতে নিহত প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার পরিবারকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার পরিবারকে সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের আশ্বাস দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে নিহতের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ক্ষতিপূরণ ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় সৌদি সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

পরিবারের জন্য বিশেষ সহায়তা

পরিবারের সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, নিহতের তিন সন্তানের লেখাপড়ার জন্য আগামী সাত বছর প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। এ সময় মন্ত্রী নিহত বাচ্চু মিয়ার পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ও ঈদ সামগ্রী প্রদান করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত কর্মকর্তাগণ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পটভূমি

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণে নিহত হন বাচ্চু মিয়া। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। তার তৃতীয় সন্তান শারীরিক প্রতিবন্ধী। বাচ্চু মিয়া দীর্ঘ সাত বছর ধরে সৌদি আরবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এই ঘটনায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সরকারের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে।