বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, দক্ষ জনশক্তি গঠনে জোর
বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই ও দক্ষ জনশক্তি গঠনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালু ও দক্ষ জনশক্তি গঠনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের তিনটি প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই পরিষেবা চালু করতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণ কমিটির বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

কোন বিমানবন্দরগুলোতে চালু হবে ফ্রি ওয়াইফাই?

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকার হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের এমএজি ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে ফ্রি ওয়াইফাই চালু করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি উন্নত দেশের বিমানবন্দরের মান অনুসরণ করে গৃহীত হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করবে।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিশেষ উদ্যোগ

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বেকার যুবক-যুবতীদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে দক্ষ জনশক্তি গঠনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দেশী ও বিদেশী শিক্ষকদের সমন্বয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। এই কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে তরুণরা বিভিন্ন দেশের ভাষা শিখে বিদেশে চাকরির জন্য প্রস্তুত হতে পারবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীরা বিদেশে চাকরির সুযোগ পাবে, যা দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহকেও শক্তিশালী করবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই উদ্যোগের প্রত্যাশিত ফলাফল

  • বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালু হলে যাত্রীরা ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
  • ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তরুণদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
  • দক্ষ জনশক্তি গঠনে এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর পরিষেবার মান উন্নত হবে এবং তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের পথ সুগম হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।