লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোরে দেশে ফেরত এসেছেন। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ সহায়তায় স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় তারা দেশে ফেরেন।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে আজ ভোর ৫টার দিকে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এতে লিবিয়া সরকার ও আইওএম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।

মানবপাচারের শিকার

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফেরত আসা এই বাংলাদেশিদের অধিকাংশই দালালদের খপ্পরে পড়ে লিবিয়া গিয়েছিলেন। ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা তাদের অবৈধভাবে সমুদ্রপথে লিবিয়ায় নিয়ে গিয়েছিল। লিবিয়ায় থাকাকালীন এই ব্যক্তিদের অনেকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন ও নানা ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হন বলে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বাগত ও পুনর্বাসন

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা এবং আইওএম-এর কর্মকর্তারা ফেরত আসাদের স্বাগত জানান। পুনর্বাসন সহায়তার অংশ হিসেবে আইওএম-এর পক্ষ থেকে প্রত্যেককে যাতায়াত ভাড়া, খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সচেতনতা প্রচেষ্টা

অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের বিপদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ফেরত আসা ব্যক্তিদের নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা অন্যদের সামনে তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে বা আটক কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।