মঙ্গল গ্রহে তথ্য সংগ্রহের জন্য নাসা একটি নতুন প্রজন্মের হেলিকপ্টার তৈরি করছে। এই হেলিকপ্টারের রোটর ব্লেডের গতি হবে ম্যাক ১.০৮-এর বেশি, যা আগের ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারের তুলনায় অনেক বেশি। ইনজেনুইটির রোটর গতি ছিল ম্যাক ০.৭-এর কম।
নতুন প্রযুক্তির সক্ষমতা
নাসার এমস রিসার্চ সেন্টারের কর্মকর্তা শানা উইথ্রো-মেসার বলেন, 'রোটর ব্লেডের গতির সফল পরীক্ষা আরও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে উড্ডয়নের সম্ভাব্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। আমরা ভেবেছিলাম, ম্যাক ১.০৫ অর্জন করতে পারলেই নিজেদের ভাগ্যবান মনে করব, কিন্তু শেষ ধাপে আমরা ম্যাক ১.০৮ গতিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। এই হেলিকপ্টারগুলো সত্যিই বিস্ময়কর হতে যাচ্ছে।'
মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের চ্যালেঞ্জ
পৃথিবীতে রোটর ব্লেডের উচ্চ গতি থেকে সৃষ্ট শক ওয়েভ ও অস্থির বায়ুপ্রবাহের সমস্যা সমাধান করা তুলনামূলক সহজ। কিন্তু মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তুলনায় অত্যন্ত পাতলা, যার ঘনত্ব পৃথিবীর মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ। এই কারণে মঙ্গলে উপযোগী হেলিকপ্টারের নকশা করা অত্যন্ত কঠিন।
উড্ডয়ন ক্ষমতা বৃদ্ধি
রোটরের গতি বৃদ্ধির ফলে নতুন মডেলের হেলিকপ্টারের উড্ডয়ন ক্ষমতা প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে হেলিকপ্টারে বেশি ওজনের উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি যুক্ত করা যাবে।
স্কাইফল মিশন
নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের শেষের দিকে স্কাইফল মিশনের আওতায় নতুন মডেলের তিনটি হেলিকপ্টার মঙ্গল গ্রহে পাঠানো হবে। এই মিশন মঙ্গল গ্রহের আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে সহায়তা করবে।



