ইরান ও পাকিস্তানের দাবি: লেবানন ছাড়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অসম্পূর্ণ
ইরান-পাকিস্তানের দাবি: লেবানন ছাড়া যুদ্ধবিরতি অসম্পূর্ণ

ইরান ও পাকিস্তানের যৌথ দাবি: লেবানন ছাড়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অসম্পূর্ণ

যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি বা সমন্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লেবানন ছাড়া কোনো যুদ্ধবিরতি পূর্ণতা পাবে না। ইরানের এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান, যা আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। খবরটি আল জাজিরা প্রকাশ করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তেহরানে ইরান-পাকিস্তান বৈঠক: লেবাননের অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর

তেহরানে সফররত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে এক বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই দাবি জানান। গালিবাফ বলেন, “লেবানন একটি সমন্বিত যুদ্ধবিরতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেকোনো চুক্তিতে সব সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের এর বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ইরান শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের অঙ্গীকার রক্ষা না করে আলোচনার অগ্রগতিকে বারবার বাধাগ্রস্ত করছে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের বক্তব্য: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার

বৈঠকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান সীমান্তে অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে পাকিস্তান সজাগ রয়েছে। লেবাননে যুদ্ধবিরতির গুরুত্ব আমরা অনুধাবন করি এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নজরে রাখব।” জেনারেল মুনির আরও জানান, উত্তেজনা কমাতে এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে ইসলামাবাদ তার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভূ-রাজনৈতিক তাৎপর্য: ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক

উল্লেখ্য, এই সফরকালে আসিম মুনির ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন, যা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠকগুলি ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে।

এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় লেবাননের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করতে পারে, যেখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ বাড়ছে। ইরান ও পাকিস্তানের এই যৌথ অবস্থান আঞ্চলিক শান্তি আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।