হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য ইরানকে ফি দিতে চায় না মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশ। গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) নেতারা ফি আরোপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছেন জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই।
জেদ্দায় পরামর্শমূলক বৈঠক
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত পরামর্শমূলক বৈঠকে উপসাগরীয় নেতারা হরমুজ প্রণালী বন্ধের বিষয়ে ইরানের পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ বলে আখ্যা দেন। খবর আনাদলু এজেন্সির।
জিসিসি নেতারা গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিরাপদ ও অবাধ নৌ-চলাচলের আহ্বান জানিয়েছেন। নিজেদের স্বার্থে সদস্য দেশগুলো (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এবং ওমান) আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
যৌথ পাইপলাইন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা
আলবুদাইউই জানান, বৈঠকে নেতারা যৌথ তেল ও গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় একটি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটগুলোর একটি হরমুজ প্রণালী। এখান দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবাহিত হতো। তবে ইরানের হাতে হরমুজ বন্ধ থাকার কারণে তা মারাত্মকভাবে ব্যহত হয়েছে।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মার্চের শুরু থেকে এই জলপথে বিঘ্ন দেখা দেয়। বর্তমানে যুদ্ধবিরতির কারণে সংঘাত স্থগিত রয়েছে এবং স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে।



