ইরানের স্কুল হামলায় মার্কিন দায় অস্বীকার ট্রাম্পের
ইরানের স্কুল হামলায় মার্কিন দায় অস্বীকার ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বুধবার বলেছেন, ইরানের মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সংঘটিত প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য কে দায়ী ছিল, তা হয়তো কখনোই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিন মিনাবের শাজারেহ তায়িবা স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭৫ জনের বেশি শিশুশিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হন বলে জানান ইরানি কর্মকর্তারা।

বিবৃতি ও তদন্তের অবস্থা

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি জানি না তারা কখনো ওই বিষয়ের সমাধান করতে পারবে কি না। কার দোষ ছিল, সেই প্রশ্নের সমাধান তারা কখনো করতে পারবে কি না, আমি জানি না। কারণ, তখন চারদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটছিল। যা ঘটেছে তা ভয়াবহ, কিন্তু তখন সর্বত্রই ক্ষেপণাস্ত্র উড়ছিল।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘কেউ বলেছে, এটা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, হয়তো তা ছিল না। এটা ছিল—এমনটা বিশ্বাস করার মতো কোনো কিছু আমি দেখিনি। আমার মনে হয় না, এটা আমরা করেছি।’

মার্চে এ নিয়ে প্রথম একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, দক্ষিণ ইরানের মিনাবে স্কুলে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীই দায়ী ছিল। পরে পেন্টাগন এ নিয়ে তদন্তের পরিধি বাড়িয়েছে, কিন্তু এখনো প্রাথমিক অনুসন্ধানের কোনো ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

মিনাবে শাজারেহ তায়িবা স্কুলে ওই হামলা বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় একে ‘সম্পূর্ণ ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেছিল। ট্রাম্প শুরুতে কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছিলেন, এর জন্য ইরান দায়ী। তবে পরে তিনি বলেন, তিনি এই হামলা সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন না, তদন্ত চলমান রয়েছে, তিনি তদন্তের ফলাফল মেনে নেবেন এবং ‘কেউ’ ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়টিতে হামলা চালায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য এই ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে।