ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা অবশেষে চুক্তির পথে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। এই চুক্তি মূলত হরমুজ প্রণালী, তেল ও নিষেধাজ্ঞা ঘিরেই হবে বলে জানা গেছে।
চুক্তির মূল উপাদান
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট। ইরান এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে। চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ তেল পরিবহন নিশ্চিত করবে, যার বিনিময়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। এছাড়া ইরানের তেল রপ্তানিতেও ছাড় দেওয়া হতে পারে।
ট্রাম্পের বক্তব্য
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইরানের সাথে আমাদের চুক্তি প্রায় সম্পূর্ণ। এটি হরমুজ, তেল ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হবে। আমরা শান্তি চাই, কিন্তু ইরানকে যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখতে হবে।' তিনি আরও জানান, চুক্তি সইয়ের পরই কার্যকর হবে।
অন্যদিকে ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ইরানি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারই তাদের প্রধান শর্ত।
বিশ্ববাসীর প্রতিক্রিয়া
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে ইসরায়েলের মতো কিছু দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, চুক্তি ইরানকে আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে ইরানের তেল রপ্তানি বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে পারে, যা ভোক্তা দেশগুলোর জন্য সুখবর। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, চুক্তির বাস্তবায়ন এখনই চূড়ান্ত নয়; অনেক জটিলতা রয়ে গেছে।



