কুয়েতের পানি শোধনাগারে হামলা: ইরানের দাবি ইসরাইলের বিরুদ্ধে
কুয়েতের একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় সরাসরি ইসরাইলকে দায়ী করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ তুলে ধরে এবং হামলাটিকে অপ্রথাগত ও অবৈধ বলে বর্ণনা করেছে।
ইরানের বিবৃতির মূল বক্তব্য
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জায়োনিস্ট শাসনের এই হামলা দখলদারদের নীচতা ও জঘন্য মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। তারা এই অমানবিক কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলের নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করেছে।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
কুয়েতি কর্তৃপক্ষের মতে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দ্বিপ্রহরের ঠিক আগে একটি বিদ্যুৎ ও লোনা পানি শোধনাগার হামলার শিকার হয়। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই ঘটনার আগে, শুক্রবার ভোরে কুয়েতের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার 'মিনা আল-আহমাদি'-তেও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যার ফলে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়।
হামলার প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য প্রভাব
এই হামলাগুলো আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান ইসরাইলকে দায়ী করলেও, কুয়েতি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হামলাকারীর পরিচয় নিশ্চিত করেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারে এবং বেসামরিক অবকাঠামোর উপর হামলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।



