ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসাবশেষে আহত আরও এক ইসরাইলি, মোট আহত ৩ হাজারের বেশি
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসাবশেষে আহত আরও এক ইসরাইলি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ইসরাইলে নতুন আহত

ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র জোটের মধ্যে চলমান সংঘাতের ১৭তম দিনে নতুন করে আরও এক ইসরাইলি নাগরিক আহত হয়েছেন। ইরানের পাঠানো ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত হওয়ার পরও, তার ধ্বংসাবশেষ মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে আঘাত হেনে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৬ মার্চ) ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত হওয়ার পর তার খণ্ডাংশ তেল আবিবের নিকটবর্তী শোহাম, রিশন লেজিয়ন, লোদ এবং নেস জিওনা শহরে পড়েছে। এই ঘটনায় একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন, তবে সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

ইসরাইলের চার স্তরের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকিয়ে দিলেও, ধ্বংস হওয়ার পর টুকরোগুলো রকেটের মতো কাজ করে অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানীর ঘটনা ঘটাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আহতের সংখ্যা বেড়ে ৩,৩৬৯

ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩,৩৬৯ জন ব্যক্তি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সংখ্যায় বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক কর্মী উভয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় আহত হওয়া ১৪২ জন ব্যক্তিও এই মোট সংখ্যার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া, এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংঘাতের পটভূমি ও বর্তমান অবস্থা

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে এই সংঘাত পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে সরাসরি ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পাশাপাশি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতেও আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

এই সংঘাতের ফলে ইরানের পাল্টা হামলায় ইতিমধ্যে ৩,৩৫০ জনেরও বেশি ইসরাইলি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।