ইরান ও ইসরাইলের আকাশসীমা বন্ধ, জরুরি অবস্থা ঘোষণা
ইরান-ইসরাইলের আকাশসীমা বন্ধ, জরুরি অবস্থা

ইরান ও ইসরাইলের আকাশসীমা বন্ধ, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ইরানে ইসরাইলের বিমান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

ইরানের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা

ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার মুখপাত্র মাজিদ আখভান বার্তা সংস্থা মেহেরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, 'পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুরো দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকবে।' এই ঘোষণার মাধ্যমে ইরান তার আন্তর্জাতিক আকাশসীমা সাময়িকভাবে সিল করে দিয়েছে, যা দেশটির নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিফলন।

ইসরাইলের পাল্টা পদক্ষেপ

এদিকে, ইরানে সরাসরি বিমান হামলা চালানোর পর ইসরাইলও নিজেদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বেসামরিক বিমান চলাচলের ওপর এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিবৃতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বিমানবন্দরে না আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা

বর্তমানে বিদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের নিজ নিজ এয়ারলাইনস এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট চেক করতে বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে গৃহীত হয়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে তারা ইরানে 'প্রতিরোধমূলক হামলা' শুরু করেছে। শনিবার সকালে এক জরুরি বিবৃতিতে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এই দাবি করেন। হামলা শুরু হওয়ার পরপরই তিনি পুরো ইসরাইল জুড়ে 'বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা' ঘোষণা করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এই সংঘাতের পটভূমিতে গত এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় হামলার ঘটনাও উল্লেখযোগ্য, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই আকাশসীমা বন্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে, এবং ভ্রমণকারীদের জন্য তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হচ্ছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে, তবে কবে নাগাদ আকাশসীমা পুনরায় খুলবে তা এখনও অনিশ্চিত।