যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোতে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে ন্যাটোর ছয়টি দেশে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমান রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা এসব দেশের বাইরেও নতুন দেশে এই অস্ত্র মোতায়েনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। পেন্টাগনের নীতি বিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবি আগে প্রকাশ্যে বলেছিলেন, ন্যাটো সদস্যদের রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত তার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে।
প্রস্তাবের বিস্তারিত
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবের আওতায় মার্কিন ডুয়েল-ক্যাপাবল এয়ারক্রাফট (ডিসিএ) পরিচালনাকারী দেশের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এই বিশেষ বিমানগুলো প্রথাগত সামরিক অভিযানের পাশাপাশি পারমাণবিক মিশনও পরিচালনা করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বিদ্যমান পারমাণবিক অংশীদারত্বের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার অনেক সমর্থক ইউরোপীয় মিত্রদের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, এই দেশগুলো তাদের নিজেদের সামরিক খাতে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয় করে না এবং প্রথাগত প্রতিরক্ষার জন্য সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে থাকে।
আগ্রহী দেশগুলো
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পোল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোসহ ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত দেশগুলো ডিসিএ যুদ্ধবিমান ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই বিষয়ে ন্যাটো ফোরামের ভেতরে আলোচনা চলছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) এবং ন্যাটো এই প্রতিবেদনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।



