স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বস্তাবন্দি লাশ ই-রিকশায় করে ৩০ কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ফেলে আসেন আলতাফ ওরফে কাল্লু (২৫)। এরপর নাটক সাজাতে নিজেই হাজির হন উত্তর প্রদেশের লখনউয়ের চিনহাট থানায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না; নিখোঁজ ডায়েরি করতে গিয়েই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন অভিযুক্ত স্বামী।
ঘটনার বিবরণ
এই ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের চিনহাট থানা এলাকায়। নিহত নারীর নাম ইয়াসমিন (২৪)। পুলিশের কাছে আলতাফ স্বীকার করেছেন, এক নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে ইয়াসমিনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে, এমন সন্দেহে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন রাতে ঝগড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছালে তিনি স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা
পুলিশ জানায়, হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য আলতাফ ইয়াসমিনের মরদেহ একটি বস্তায় ভরেন। এরপর নিজের ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে বারাবাঁকি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লখনউয়ের বিবিডি থানা এলাকার ইন্দিরা বাঁধের কাছে লাশটি ফেলে আসেন।
নাটকের পরিণতি
সব কাজ শেষ করে আলতাফ নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার খবর দেন। তবে তার কথাবার্তায় অসংগতি থাকায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্ত্রীকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন।
গ্রেফতার ও তদন্ত
পুলিশ আলতাফ ওরফে কাল্লুকে গ্রেফতার করেছে। বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা ইয়াসমিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কোনও কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



