বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, আজ আইকিউএয়ার স্কোর ১৯৫
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, আইকিউএয়ার স্কোর ১৯৫

রাজধানী ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের কবলে থাকা মেগাসিটিতে কয়েক দিন বৃষ্টি হওয়ায় দূষণের মাত্রা কিছুটা কমেছিল, কিন্তু আজ সোমবার (১১ মে) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাতাস আবারও ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ঢাকার বায়ুমান সূচক ১৯৫

আইকিউএয়ারের সকাল ৮টা থেকে ৯টা সময়সীমার রেকর্ডে দেখা যায়, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ১৯৫, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। এই স্কোরের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও দূষণের মাত্রা এত বেশি থাকায় নগরবাসীর জন্য উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকার দূষণ চিত্র

রিয়েল-টাইম একিউআই স্টেশন র্যাংকিংয়ে দেখা যায়, ঢাকার কিছু জায়গায় দূষণের মাত্রা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর থেকে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি এলাকার বাতাস সবচেয়ে দূষিত, যার আইকিউএয়ার স্কোর ২৪১, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। অন্যান্য দূষিত এলাকার মধ্যে রয়েছে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস), বারিধারা পার্ক রোড, ধানমন্ডি, গুলশান লেক পার্ক, গুলশানের বেজ এজওয়াটার আউটডোর, উত্তর বাড্ডা, দক্ষিণ পল্লবী, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গোড়ান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ দূষিত শহর

আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো— ভারতের দিল্লি (১৫৬, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), ভিয়েতনামের হ্যানয় (১৫৩, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), চীনের চেংদু (১৪৭, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর) এবং উজবেকিস্তানের তাসখন্দ (১৩৫, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর)।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বায়ুমান সূচকের মানদণ্ড

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু নির্দেশ করে। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, যেখানে শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে থাকার এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।