মন্টানার প্রকৃতির ভাঁজে লুকিয়ে থাকা এক অপূর্ব দৃশ্য—বরফ গলে তৈরি হওয়া নদীর স্রোত। মিজুলা শহরকে ঘিরে বয়ে যাওয়া এই নদীগুলো বসন্তের শুরুতেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। দীর্ঘ শীতের নিস্তব্ধতা ভেঙে প্রকৃতি তখন নিজেই লিখতে শুরু করে এক চলমান কবিতা।
বরফ গলার শুরু
শীতজুড়ে সাদা বরফে ঢাকা থাকে মিজুলার চারপাশের পর্বতমালা। মার্চ-এপ্রিলের সূর্যের উষ্ণতায় সেই বরফ ধীরে ধীরে গলে গিয়ে নদীগুলোকে ভরে তোলে এক নতুন প্রাণে। শীতের স্থিরতা ছেড়ে তখন পানি হয়ে ওঠে চঞ্চল, কখনো কখনো ভয়ংকর রূপও নেয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
তবে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের আড়ালেও রয়েছে এক বাস্তবতা। জলবায়ু পরিবর্তন-এর প্রভাব এখানে স্পষ্ট। বরফ গলার সময় বদলে যাচ্ছে, স্রোতের ধরণেও আসছে অস্বাভাবিকতা—যা পুরো প্রতিবেশব্যবস্থার জন্যই এক সতর্ক সংকেত।
- বরফে ঢাকা পাহাড়ের কোলে শান্ত মিজুলা শহর
- বসন্তের রোদে গলতে শুরু করেছে তুষার
- ক্লার্ক ফর্ক নদী-র স্বচ্ছ অথচ প্রবল স্রোত
- নদী-র বুকে বয়ে চলা গলিত বরফের জল
- বিস্তৃত জলরাশি
- পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে আসা সাদা তুষার গলা পানি
- নদীর গর্জন—প্রকৃতির শক্তির এক জীবন্ত প্রকাশ
- নদীর তীরে পরিবার নিয়ে অবসর সময় কাটানো মানুষ
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০



