ইলেকট্রিক যানবাহন চালু করবে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী
ইলেকট্রিক যানবাহন চালু করবে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেছেন, কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং দেশে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বর্তমানের তুলনায় অনেক বড় পরিসরে ইলেকট্রিক যানবাহন চালু করার পরিকল্পনা করছে।

পরিবেশবান্ধব পরিবহনের পরিকল্পনা

মন্ত্রী বলেন, 'পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে সরকার ইতিমধ্যেই ইলেকট্রিক যানবাহন চালুর পরিকল্পনা করছে।' মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনিয়নের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ

মন্ত্রী আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরকে জানান, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে 'বর্ধিত প্রযোজকের দায়িত্ব' (ইপিআর) নীতির আওতায় সরকার বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও সংগঠিত ও বাধ্যতামূলক করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্প বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) স্থাপন জোরদার করতে তার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎচাপ কমাতে ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সারাদেশে বড় আকারের সোলার প্যানেল (সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইএলও'র সহযোগিতার আগ্রহ

আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনিয়ন বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতে চলমান সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ স্বার্থের বিষয়ে ন্যায্য রূপান্তরের ওপর বিশেষ জোর দেন। আগামী মাসে গাজীপুরে বর্ধিত প্রযোজকের দায়িত্ব (ইপিআর) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অগ্রণী ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানান। সাক্ষাতে প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ, কার্বন ক্রেডিট, জলবায়ু অর্থায়ন, সার্কুলার ইকোনমি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহযোগিতা জোরদার নিয়েও আলোচনা হয়।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দুই অতিরিক্ত সচিব ও আইএলও বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।